আপনার জন্য বেস্ট হোস্টিং কোনটি

0
298
আপনার জন্য বেস্ট হোস্টিং কোনটি

Hi everyone, যে কোনো ওয়েবসাইট কে পাবলিশ করার জন্য একটি ডোমেইন নেম এবং হোস্টিং সার্ভারের প্রয়োজন হয়. এবং হোস্টিং সার্ভার কিনতে গেলে, আমরা দেখতে পাই বিভিন্ন ধরনের হোস্টিং সার্ভার পাওয়া যায়.

Shared hosting server
VPS server

Dedicated server
WordPress Hosting

এই different kind of server গুলো কিভাবে কাজ করে এবং কোন সার্ভারটি কোন ক্ষেত্রে আপনার জন্য বেস্ট হতে পারে সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে আজকের এই পোস্ট এ আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব .

So guys lets get started.

ধরুন এটি একটি হোস্টিং কোম্পানি এবং তারা বিভিন্ন ধরনের হোস্টিং সার্ভার অফার করছে। সার্ভার হচ্ছে জাস্ট একটি কম্পিউটারের মত।

যার মধ্যে রেম, হার্ডডিক্স, সিপিও এই বিষয়গুলো রয়েছে। একটি কম্পিউটারের মধ্যে যে পার্টস গুলো থাকে একটি ওয়েব সার্ভারের মধ্যেও একই পার্টস গুলোই থাকে.

যেগুলো এই হোস্টিং কোম্পানি মেইন্টেইন করে থাকে। তো প্রথমেই আমরা Shared Hosting সার্ভার সম্পর্কে জানবো।

ধরুন চারজন কাস্টমার এই কোম্পানি থেকে শেয়ার এ সার্ভার পার্চেস করলো। তাহলে তাদেরকে একটি সার্ভার থেকে কানেকশন দেওয়া হবে অথবা রিসোর্স দেয়া হবে. রিসোর্স বলতে RAF, hard disk Cpu কে বোঝায়।

কিছুদিন পর আরো নতুন তিনজন কাস্টমার আসলো, এবং তারাও shared server কিনে নিল. তাদেরকেও একই সার্ভার থেকেই কানেকশন দেওয়া হবে এবং এই সার্ভারের যে রিসোর্স আছে সেগুলো এখন এ সবার মধ্যে ভাগ হয়ে যাবে। যেটাকে চার জনের মধ্যে ছিল।

ধরুন এই সাত জনের মধ্যে দুই জনের ওয়েবসাইট এ হঠাৎ করে অনেক ভিজিটর আসতে শুরু করলো। তাহলে অন্যান্য যে যারা আছে তাদের ওয়েবসাইট টি স্লো হয়ে যাবে।

যেহেতু এটি য়ার সার্ভার তাই কারোর ওয়েবসাইট এ বেশি সার্ভার রিসোর্স ব্যবহার হলে অন্যরা রিসোর্স কম পাবে এবং তাদের ওয়েবসাইট স্লো হয়ে যাবে।

এটাই হচ্ছে share সার্ভারের উদাহরণ.

এখন চলুন VPS সার্ভার নিয়ে কথা বলি।

VPS সার্ভার হলো শেয়ার hosting server.

তবে Shared Hosting Server থেকে VPS টা অনেক powerful Server.

ধরুন তিরিশ হাজার টাকা দামের কম্পিউটার আর ষাট হাজার টাকা দামের কম্পিউটার।

আপনি যদি একদম biggener level এর হন তাহলে share hosting server দিয়ে শুরু করবেন.

আর যদি আপনার already ডোমেইন হোস্টিং সম্পর্কিত নলেজ থাকে এবং আপনি একটি fastest loading ওয়েবসাইট চাচ্ছেন এবং আপনার ওয়েবসাইটে আপনি প্রচুর ট্রাফিক এক্সপেকটেশন করতেছেন তাহলে আপনি VPS সার্ভার দিয়ে শুরু করুন।

এখন চলুন Dedicated Server নিয়ে কথা বলি।

Dedicated server মানে হচ্ছে একজন ইউজাদ এর জন্য একটি সার্ভার। আপনি যদি Dedicated সার্ভার পার্চেস করেন, তাহলে আপনার website এর জন্য, একটি সার্ভার ব্যবহার করা হবে, এবং এই সার্ভার এ আর কোনো user থাকবে না।

এটা dedicated শুধু মাত্র আপনার জন্য বরাদ্দ থাকবে. যার জন্য dedicated সার্ভারের দাম অনেক বেশি হয়ে থাকে।

আপনার ওয়েবসাইট এর পারর্ফমেন্স হবে অনেক ফাস্ট। আপনার ওয়েবসাইট ডাউন হওয়ার কোনো চান্সই থাকবে না।

কোন ক্ষেত্রে এই সার্ভারটি বেস্ট হতে পারে?

আপনার ওয়েবসাইট এ যদি already অনেক traffic থাকে এবং প্রতিনিয়ত আপনার ওয়েবসাইট এর visit হওয়ার আরো বাড়তাছে, সেক্ষেত্রে আপনি dedicated server এ কনভার্ট হয়ে যেতে পারেন।

বাট শুরুতেই dedicated server নিয়ে শুরু করার প্রয়োজন নাই। আপনি share hosting বা VPS দিয়ে শুরু করতে পারেন.

পরবর্তীতে site এ প্রচুর traffic বাড়লে তখন আপনি dedicated server এ migrate হয়ে যেতে পারবেন.

এখন চলুন WordPress Hosting Server নিয়ে কথা বলি।

যত বড়ো বড়ো hosting কোম্পানি গুলো দেখবেন লক্ষ্য করলে দেখবেন তারা ওয়ার্ডপ্রেস এর জন্য একটা আলাদা hosting প্ল্যান অফার করে থাকে।

কারণ website তৈরী করার জন্য যত সফটওয়্যার রয়েছে তার মধ্যে ওয়ার্ডপ্রেস সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং মানুষ এটা ব্যবহার করে থাকে।

এখন এই WordPress server এর সুবিধা অসুবিধা বা এটা কোন ক্ষেত্রে best হতে পারে সেই সম্পর্কে একটু বলি।

WordPress server গুলো শুধুমাত্র ওয়ার্ডপ্রেস সফটওয়্যার এর জন্য অপটিমাইজ করা. এই সার্ভারে অন্য কোন softwares ব্যাবহার করা যাবে না।

আপনি শেয়ার, VPS বা dedicated server এ যেকোনো software set up করতে পারেন. কিন্তু WordPress hosting প্ল্যানে শুধু মাত্র WordPress software কে আপনি install করতে পারবেন।

Hosting কোম্পানি গুলো dedicated expert দের কে নিয়োগ দিয়ে থাকে। এই সার্ভার গুলো maintenance করার জন্য।

তারা customer এর হয়ে তাদের ওয়েবসাইট এর security তাদের ওয়েবসাইট এর speed, performance এবং regular back up নিয়ে থাকে।

So user দেরকে এই extra hassul গুলো নিতে হয় না। Hosting কোম্পানির লোকরাই সার্ভারটিকে dedicated ভাবে manage করে থাকে।

এজন্য এই সার্ভারটিকে manage WordPress hosting সার্ভারও বলা হয়। কারণ hosting কোম্পানি র expert রা user এর হয়ে অনেক কিছু maintain করে দেয়।

এবং এইটাও একটা dedicated সার্ভারের মত। যার জন্য এটার price টাও অনেক বেশি হয়ে থাকে।

আপনার যদি বাজেটের কোন প্রবলেম না থাকে, এবং আপনি একটা হ্যাসেল ফ্রি সার্ভার চান, যে আপনার speed optimisation, security, এগুলো নিয়ে চিন্তা করার মত সময় আপনার নাই, ওই ক্ষেত্রে আপনি ম্যানেজড ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টিং কিনতে পারেন।

আপনার ওয়েবসাইটের পারফরমেন্স, সিকিউরিটি এবং আরো অন্যান্য যে প্রবলেম থাকতে পারে সেগুলো নিয়ে কোনো চিন্তায় করতে হবে না।

কারণ এই হোস্টিং কোম্পানির এক্সপার্টরা আপনার হয়ে সেগুলো মেইনটেইন করতে থাকবে। তাহলে অন্যান্য সার্ভার গুলো আছে যেমন শেয়ার, ভিপিএস ডেডিকেটেড এগুলোকে তারা মেইনটেইন করে না?

অবশ্যই তারা মেইনটেইন করে। কিন্তু তারা মেইনটেইন করে সার্ভারের রিসোর্সগুলো যে রেম কয় জিবি, স্টোরেজ কয় জিবি সিপিও কয় জিবি এগুলো তারা মেইনটেইন করে।

আপনার ওয়েবসাইটের performance এগুলো তারা maintain করবে না। আপনাকেই এগুলো maintain করতে হবে।

কিন্তু managed wordpress hosting কিনলে এই কাজগুলো আপনার হয়ে তারা করে দিবে। এজন্য এটার price টা অনেক বেশি হয়ে থাকে।

তো এই হচ্ছে ওভারঅল Shared VPS dedicated এবং wordpress Hosting server এর concept.

আশা করি আজকের পোস্টটি আপনাদের ভাল লেগেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here