আপনি কতটা Matured? জেনে নিন আপনি কি সত্যিই Mature? পর্ব ২

0
344

আপনি কতটা Matured? পর্ব ২

And not just in relationships so fall the friendships is well. আমি যখন কলেজ থেকে এই university তে আসলাম তখন মনে হতো যে কলেজের সব বন্ধুরা আমার সাথে সারাজীবন থাকবে আমরা সারাদিন চিল করবো সারাদিন মানে খেলবো দেখবো then university তে আসার পর দেখা গেলো যে তারা আস্তে আস্তে এক একজন এক জায়গায় হারিয়ে গেল।

University তে মনে হলো এখন তো আমরা অনেক matured হয়েছি. University থেকে পাশ করার পর চাকরি বাকরি যে যেখানেই করি না কেন সব সময় আমরা করবো, দেখা করবো, হ্যাংলাট করবো, একসাথে ফুটবল খেলবো, কিসে কি?

সে আমার লাইফ আস্তে আস্তে ব্যস্ত হয়ে যায়, মানুষের priority change হয়. এমন নয় যে তারা আপনার প্রতি এখন বিরক্ত, এমনও তারা আপনাকে দেখতে পারে না, এমনও যে তারা আপনার সাথে ব্যাঙ্গালোর করতে চায় না, তারা সবাই চায়, কিন্তু লাইফ এর responsibility, লাইফ এর priority, এসব change হওয়ার কারণে সময়টা আসলে হয়ে ওঠে না. আমি candle man এ ছিলাম।

তারপর এখন বাবা retirement এ গেল. সব ফ্রেন্ড এখানে ইউনিভার্সিটি ফ্যান but honestly speaking ওদের সাথে আমার এগুলো দেখা হয় না. কারোর সাথে handgout ওইভাবে করা হয় না।

দেখা যায় ওই কারোর বিয়েতে গিয়েই দেখা হয়. ছিল রাগ হওয়ার কিছু নাই, it’s absolutely all right, লাইফ যখন progress করে, মানুষের life এ priority change হয়ে যায়. আর এটার ফলে অনেক কিছু আসতে আসতে change হয়ে যায়, লাইফ cycle টা change হয়ে যায়, সেই জিনিসগুলো accept করে নেওয়া যত faster হয়।

all right by the way, that’s all লাইফ should to see পয়েন্ট number six, you don’t judge, easily, আমরা অনেক fast মানুষকে judge করি. অনেক সময় আফরিন কেমন হয়েছে সে কোন জায়গা থেকে এসেছে তার আশেপাশের মানুষকে কেমন ছিল পারিপার্শ্বিকতা কেমন ছিল এসব কথা চিন্তা না করে তাকে কাজ করি. একজনের উচ্চারণ খারাপ।

সে হয়তো বা গ্রাম থেকে এসেছে তার আশেপাশের মানুষ কথা মানে কথা যেভাবে শুনেছি সেভাবেই উচ্চারণ করা শিখেছে. কিন্তু আমরা তাকে judge করার ফলে. যা রে এর তো উচ্চারণে ঝামেলা আছে. কারো মনে করে কাপড় চোপড় হয়তো বা আমাদের মতো এত standish না।

আবার যখন আস্তে আস্তে বড় হই, matured হই, তখন আমি এই জিনিসগুলোকে খুব একটা পাত্তা দিই না. কেননা জানি ওই বাহিরের যে পারিপার্শিকতার যে একটা ছাপ তার মধ্যে আছে এরা তাকে design করে না. সে যে জায়গা থেকে এসেছে, সেখানটায় সেখানকার উচ্চারণ বা কিছু সমস্যা আছে।

আঞ্চলিকতার একটা টান আছে. তা কাপড়চোপড় হয়তোবা একটা অনেকটা ওরকম. বাট এটা কোনভাবে কিন্তু তার ক্রেডিবিলিটি তারা অনেস্টিক তার ওয়াটারথেকস, তার dedication, তার effort এগুলোর একটাকেও define করে না।

তো যখন আমরা যেটুকু আস্তে বোঝা শুরু করি, মানুষের একটা কথা দেখে তাকে judge করি না. মানুষের একটা আচরণ দেখে তাকে judge করি না. একটা ছোট কাজ দেখে তাকে judge করি না কারণ আমরা তখন বুঝতে শিখি যে এই ছোট একটা কাজ পুরো মানুষটাকে definite করে না।

মানুষটা ভিতরটা আর একটু গভীরভাবে জানা উচিত. Lets go for point number. you ten to for give mort ওই যে বলে না যে রাগ হলো এমন একটা জিনিস যে আমি একটা বিষ, নিজে খাবো এনামেক্স বলবো যে আরেকটা মানুষ মারা যাবে, so রাগটা অনেকটা ওরকমই, কারোর ওপর রেগে আছি, আমি ওই রাগটা ধরে রাখছি।

ওর কিন্তু কোন ক্ষতি হচ্ছেই না। বরং আমি প্রতিনিয়ত কষ্ট পাচ্ছি. আমি একটা চ্যালেঞ্জ এ আছি for the লাস্ট twelve day সাতাশ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে. So এর মধ্যে আমি প্ল্যান করছি আমি রাখবো না।

রাখলো চুপচাপ, মাথা ঠান্ডা করবো. কাউকে কিছু বলবো না. So for আমার coun বেড়ে গেছে. আমি এখন অনেকটা শান্তিতে আছি।

আমার লাইফ এ stress কমে গেছে. Happiness বেড়ে গেছে. That’s so good. Tribus for the নেক্সট heritage. কার উপর রাগলেও একটু চিন্তা করো, যে কেন এই কাজটা করেছে?

Entoyze করান তার সাথে. এই কারণে কাজটা করেছে. And নারী একটা smile এ চলে আসেন. কি হবে?

ওতো আমার সাথে খারাপ কাজ করলো well, রাগেও তো ওর কোনো ক্ষতি হচ্ছে না ভাই. উল্টে আপনি পারা দিচ্ছেন. আপনারই stress Try to do the লাইফ এর stress অনেক কমে যাচ্ছে।

Point number eight ওপেন to new ideas. আমি যখন Facebook খুলি তখন দেখবো যে কারো কোনো কটা মতবাদ থাকে।

বা কোন একটা মতামত থাকলে ঐটা যদি কোনোভাবে আমার মতামতের সাথে না মেলে টাট করে, এই তুই শালা মানে আমরা গালিগালাজ করে, নিজের বংশপরিচয়ের উপস্থাপন করে, দেশের অবস্থা খারাপ করে, আর একটা কি একটা অবস্থা তৈরি করে তা বলাই যায় না।

এবং এটা আপনি যেকোনো Facebook page এ public পোস্ট এ কমেন্ট এ গেলেই দেখবেন কিন্তু as i go mature, আপনি তখন চিন্তা করবেন, আচ্ছা, ওরই মতামতটা আসছে, এই incident থেকে, ওরই মতামতটা আসছে, experience থেকে, ওরে যেন আমার প্রায় হলে এই দেশে থেকে কিছু হবে না. তার মানে কিন্তু এটা না যে আসলে কিছু হবে না।

হঠাৎ করে দেশের কোন একটা incident এ পানির কোন একটা জলাবদ্ধতা হয়তো বা ডেঙ্গু, অথবা মারামারি, হানাহানি ছিনতাই, কোনও একটা এক্সপেরিয়েন্সের কারণে হঠাৎ করে আপনি Emotionally একটা art verses, না এটা কি হলো?

এটা না যে আসলেই দেশ ছেড়ে চলে যেতে হবে. কারণ ওই ক্ষণিক moment এর কারণে কিন্তু অনেক মানুষের emotional টা out voice হয়, সেগুলো লিখে ফেলে।

But against এ যখন আপনি আপনার জিনিসপত্র লিখে ফেলেন জিনিসটা আসলে কখনো সলভ হয় না. আস্তে আস্তে ওই ঝামেলাটা হল বা বাড়তে থাকে।

করে মানে একটা কি একটা অবস্থা তৈরী করি তা বলাই যায় না এবং এটা আপনি যেকোনো Facebook পেজে public পোস্ট এ কমেন্ট এ গেলেই দেখবেন কিন্তু as you home matured আপনি তখন চিন্তা করবেন আচ্ছা আসছে এই incident থেকে।

ওরে আমার মতামতটা আসছে এক্সপেরিয়েন্স থেকে. ওরে আমার প্রায় হলে এই দেশে থেকে কিচ্ছু হবে না. তার মানে কিন্তু এটা না যে আসলে কিছু হবে না।

হঠাৎ করে দেশের কোন একটা incident এ পানির কোন একটা জলাবদ্ধ হয়তো বা ডেঙ্গু অথবা মারামারি হানায় ছিনতাই, কোন একটা experience এর কারণে হঠাৎ করে আপনি emotionally একটা art verses, না এটা কি হলো?

এটা তোমার তো এটা না যে আসলেই দেশ ছেড়ে চলে যেতে হবে. But ওই ক্ষণিক moment এর কারণে কিন্তু অনেক মানুষের emotional টা out voice হয় সে কিছুটা লিখে ফেলে।

But against এ যখন আপনি আবার আপনার জিনিসপত্র লিখে ফেলেন জিনিসটা আসলে কখনো সল্ট হয় না. আস্তে আস্তে ওই ঝামেলাটা হল বা বাড়তে থাকে।

go for point number nine, U respect Defenses, তা আমরা আগে ভাবতাম যে আমাদের সবকিছু আমাদের মতো হবে, আমি এভাবে চুল কাটি, সবাই এবার চুল কাটবে, আমি এরকম ভাবে পুরোপুরি সবাই এরকমভাবে follow করবে, আমি একটা বোতাম খোলা রাখি, সবার বদনাম খোলা রাখতে হবে।

যে এইভাবে বোতাম লাগায় রাখে। ও বেশি পাম্পুইসো না. কুল হয়ে তো খাওয়ার জন্য এই বোতাম লাগাইছো। উম বুঝছি তো. আচ্ছা।

এরম বাটন একজন শুধু একজন ডিফারেন্স আছে বলেই ওর একটা নাম আছে আমার একটা নাম আছে ওর একটা ইউনিকনেস আছে আমার একটা ইউনিকনেস আছে।

ডিফেন্স গুলো নিয়ে একটা সোসাইটি তৈরি হয়. সবাই যদি একই রকম হয় তো একইভাবে চিন্তা করতো।

একইভাবে কাজ করতে পারে। সোসাইটির মতো কাজ করতো না, কম করতো না, একটা আজিম একটা ঘটনা ঘটতো, সবাই পিঁপড়ার মধ্যে একই লাইনে যাইতে, কোনো difference থাকতো না, কোনো unique ness থাকতো না, কোনো entertainer থাকতো না, ঝামেলা হয়ে যেত. Except the differences.

difference থেকে যদি আমরা মানুষকে judge করি সেটা খুব বাজে একটা বিষয় হবে. And lastly point number ten. You understand that you happiness comes from with leave. আমরা ভাবি যে আমাদের এর কোন একটা জিনিস পেলে আমাদের খুশি বাড়বে বা happiness বাড়বে।

কেউ একটা জিনিস আমাদেরকে বললে happiness বাড়বে. যে বলে না যে stay with a person womx your happy, I think it’s like big a person নিজের মধ্যে দিয়ে আসে কোন একটা সার্টেন গোল achieve করার পরে কিন্তু তখন সাথে সাথে যে happiness টা পাই এক দেড় ঘণ্টা last করে. তারপর আমাদের একটা নেক্সট target এর মধ্যে আমরা দৌড়া শুরু করি।

আমরা journey টাকে enjoy করি এবং যে ভিতর থেকে ওই জিনিসটা feel করি we don’t be at the end of the netfully happy. So আমার কাছে মনে হয়েছে যে এই কয়েকটা জিনিস আমার personal লাইফ থেকে পাওয়া. এই কয়টা জিনিস আমি Facebook এ অনেকবার পেয়েছি, Instagram এ পোস্ট টা অনেকবার দেখেছি, so I just complete all of them together একটা ভিডিও তে।

So then আমরা কিছু হলেও, লাইফ এর maturity এর ব্যাপারে, হালকা পাতলা perspective.Again. This are absolutely my personality আপনার সাথে আমার এই মতামতের ডিফারেন্স থাকতে পারে and then again ওই depress টা accept করার মধ্যেই maturity

ধন্যবাদ সকলকে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here