রাতে সহজে ঘুম আসার ৩টি উপায়। দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার সহজ উপায়

0
314

রাতে ঘুমানো এই কাজটি আপনার হেলথ অর্থাৎ স্বাস্থ্যের জন্য সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ এটি কেবলমাত্র আপনার ডেইলি রুটিনের অংশ নয়।

বরং আপনার health, height আপনার mood অর্থাৎ আপনার over all develop অন্যতম ভূমিকা পালন করে এই ঘুম।

বহু scientific studies এ পাওয়া গেছে যে যে সকল ব্যক্তিদের ঘুম ভালো হয় না. তাদের মধ্যে heart disease মোটা হয়ে যাওয়া।

মেন্টাল ক্লারিটি mood off হয়ে থাকা এছাড়া আরো বিভিন্ন ধরনের প্রবলেম গুলির পরিমাণ খুব বেশি থাকে একটি ভালো ঘুম বা কোয়ালিটি স্লিপ আপনাকে নেক্সট ডে তে active এবং energetic রাখার সাথে সাথে আপনার mood এবং brain এর কার্যক্ষমতাকে ভালো সাহায্য করে ঘুমোনোর এতগুলি benefit থাকা সত্ত্বেও এই পৃথিবীর প্রায় sixty five পার্সেন্ট ব্যাক্তি ঘুম না আসার অর্থাৎ ইনসুমনিয়ার সমস্যায় ভুক্তভোগী।

এছাড়াও এমন বহু লোক রয়েছে যাদের ঘুম তো আসে ঠিকই কিন্তু বিছানায় শোয়ার সাথে সাথেই চোখ থেকে ঘুম হারিয়ে যায়।

তো যদি আপনিও বা আপনার পরিবারেরও কেউ এই ধরনের সমস্যায় ভুক্তভোগী হয়ে থাকেন তাহলে আজকের এই ভিডিওটি শেষ অবধি অবশ্যই দেখবেন আপনি এই ভিডিওটির মাধ্যমে এমন পাঁচটি স্লিপ টিপস কে জানতে চলেছেন, যার মাধ্যমে আপনি আপনার স্লিপ কোয়ালিটিকে অনেকটা ইম্প্রুভ করতে পারবেন।

সো লেটস বিগিং নাম্বার ওয়ান, প্রতিরাতে একটি নির্দিষ্ট সময় দেখুন আমাদের শরীরে একটি সিস্টেম রয়েছে যাকে সার্কার্ডিয়ান রিদম বলা হয়।

এই সিস্টেমটি সূর্যের আলোর হিসেবে কাজ করে. রাতে আমাদের বডি এক ধরনের কেমিক্যাল কে প্রডিউস করে যার নাম হল মেলাটো এই মেলাটোনিন এর জন্যেই আমাদের ঘুম আসে এবং আমরা at এর টাইম ঘুমিয়ে পড়ি।

কিন্তু যদি আপনি random টাইম এ ঘুমান বা যদি আপনার random টাইম এ ঘুমানোর অভ্যাস থেকে থাকে অর্থাৎ কোনদিন রাত্রি দশটায় য়ার কোনোদিন রাত্রি দুটায় আবার কোনোদিন বারোটায়, তাহলে আপনার বডির যে ন্যাচারাল রিজন রয়েছে সেটি ডিস্টার্ব হয়ে যায়. আর এর ফলে এই মেলাটোনিন ঠিক মতো রিলিস হতে পারে না।

তাই প্রতিরাতে একটি নির্দিষ্ট টাইমকে সেট করে নিন এবং প্রতিরাতে সেই সময়টিতেই ঘুমোতে যান।

আপনি রাতে নটা থেকে বারোটার মধ্যে এই সময়টিকে set করতে পারেন. বারোটার পরের টাইম টিকে না set করাটাই উচিত. কারণ রাত্রি দশটা থেকে দুটো পর্যন্ত এই সময়টিকে একটি গোল্ডেন time বলা হয় ঘুমের জন্য।

এই টাইমটিতেই সবথেকে ভালো অর্থাৎ কোয়ালিটির ঘুম হয়. আর এই সময়টিতেই আমাদের শরীরে এই GH. অর্থাৎ হিউমেন গ্রোথ হরমোন রিলিজ হয়।

এই হ আমাদের হাইট কে বৃদ্ধি করা, এবং শরীরের relaxation এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে. তাই এই সময়টিতে যদি আপনি ছয় ঘণ্টা বা সাত ঘণ্টাও ঘুমান, অর্থাৎ যদি আপনি রাত্রি এগারোটায় ঘুমিয়ে যদি আপনি সকাল পাঁচটায় বা ছটায় উঠে যান, তবুও এই ছয় বা সাত ঘণ্টার ঘুম আট বা নয় ঘন্টার ঘুমের সমতুল্য হবে।

Number two রাতে আপনি blue light থেকে দূরে থাকুন. Blue light হল এমন এক ধরনের লাইট যা ল্যাপটপ টিভি, পিসি, মোবাইলের স্ক্রিন থেকে বের হয়।

এই ব্লু লাইট আমাদের শরীরে মেলাটোনিনের প্রোডাকশনকে কমিয়ে দেয়. যার ফলে আপনার ঘুম আসে না. আর নিশ্চই আপনার সাথেও এটা ঘটেছে.তেও এটা ঘটেছে যে আপনি খুবই ক্লান্ত হয়ে গেছেন খুব ঘুম পেয়ে গেছে আপনার।

কিন্তু যখনই আপনি বিছানায় শোন আর কিছুক্ষণের জন্য যদি সেই সময় নিজের স্মার্ট ফোনকে চালান, পাঁচ মিনিটের জন্যই যদি আপনি নিজের স্মার্ট ফোনকে চালান তাহলেই আপনার ঘুম আসা বন্ধ হয়ে যায়।

কিছুতেই আর ঘুম আসতে চায় না. আপনি যতই ক্লান্ত হন না কেন আপনার যতই ঘুম পাক না কেন পাঁচ মিনিটের জন্য চালানো সেই স্মার্ট ফোনের কারণে আর কিছুতেই আপনার ঘুম আসে না।

আর এটাই bl light এর কারণেই ঘটে থাকে তাই নিজের ল্যাপটপ পিসি বা স্মার্ট ফোনের এই ব্লু লাইটটিকে অফ করে দিন এদেশেই ব্লু লাইট স্ক্রিন থেকে আর বের হবে না যার ফলে আপনার ঘুমে আর ডিস্টার্বেন্স আসবে না নাম্বার থ্রি রাতে চা কিংবা কফিকে avoid করুন basically কফি এবং চায়ে এক ধরনের কেমিক্যাল থাকে যার নাম ক্যাফিন, এই ক্যাফিন আপনাকে ষ্টিমিলেট করতে সাহায্য করে, আপনাকে active রাখতে সাহায্য করে, এই চা কফি সকালে পান করার জন্য ঠিক।

এগুলি পান করলে সকালে আপনি কিছুটা boost পেয়ে যান তো ঠিকই, কিন্তু এটি দুপুর বারোটার পর আপনার জন্যে এবং আপনার body র জন্যে একেবারেই ঠিক নয়।

দুপুর বারোটার থেকে এই ক্যাফিনকে আপনাকে avoid করতে হবে. যদি আপনি রাতে একটি ভালো বা কোয়ালিটি ঘুম চান তবেই অনেকেই বলেন যে ক্যাফিনের কারণে তাদের ঘুমে কোনো ধরনের effect পড়ে না।

কিন্তু আপনি হয়তো এটা জানেন না যে এই ক্যাফিনের কারণে রাতে আপনার বডিতে সঠিক মাত্রায় মেলাটোনিন প্রডিউস হতে পারে না।

নাম্বার ফোর এক্সারসাইজ। এই টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরিতে সকলেই খুব ব্যস্ত হয়ে গেছে. লোকেদের কাছে টাইম খুব কমে গেছে. আর এর ফলে লোকেরা exercise করার সময়ই পায় না।

ইচ্ছে থাকলেও exercise করা আর হয়ে ওঠে না. আসলে আমাদের body move করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

আর body moment গুলিকে করার জন্য exercis একটি বেস্ট মাধ্যম. তাই চেষ্টা করুন প্রতিদিন সকালে কমপক্ষে কুড়ি মিনিটের জন্য exercise করার।

এক্সারসাইজ করার ফলে আপনার শরীরের প্রতিটি মাসেলে প্রেসার পড়ে।

সকালে কমপক্ষে কুড়ি মিনিট রোদে এক্সারসাইজ করার চেষ্টা করুন, এতে আপনার body তে ভিটামিন ডি এরও আর অভাব থাকবে না।

এক্সারসাইজের ফলে blood flue বেড়ে যায়. আপনার heart দ্রুত গতিতে কাজ করা শুরু করে এবং রক্তে অক্সিজেনের মাত্রাও বেড়ে যায়।

এর ফলে আপনার স্বাস্থ্য তো ভালো হবেই তার সাথে সাথে রাতে আপনার ঘুমের quality ও অনেকটা বৃদ্ধি পাবে number five নিজের বিছানাকে কেবলমাত্র শোবার জন্যই ব্যবহার করুন।

নিজের bed কে একটি sleep only বানিয়ে নিন. যে বিছানায় আপনি ঘুমান সেই বিছানায় যদি আপনি বিভিন্ন ধরনের কাজ করেন, যেমন অনেকে পড়াশোনা করেন, অনেকে ল্যাপটপ কে বিছানায় রেখে কাজ করে।

অনেকে বিছানায় বসে টিভি দেখে। এই সকল কাজ গুলিকে যখন আপনি শোবার জায়গাটিতে করবেন তখন আপনার ব্রেন এটা ভেবে নেয় যে আপনার এই bed টি একটি rest করার এরিয়া নয় যদি আপনি ঘুমানোর আগে নিজের ফোনকে use করতে চান তাহলে নিজের bed এর কাছে একটি chair কে দিন সেই chair এ বসে নিজের ফোনকে use করুন।

শোবার সময় হয়ে গেলে নিজের ফোনকে দূরে রেখে দিয়ে শুয়ে পড়ুন বিছানায়. আপনার brain সেই bed এর relation কে কাজের আকারে নিয়ে নেয়. আর এই কারণের জন্যেই যখন আপনি রাতে আবার বিছানায় ঘুমোতে যান তখন আপনার brain নিজেকে কাজ করার মুডে trigger করে নেয়।

আপনার শোবার জায়গাটি একটি relax environment এ রাখার দরকার। যেখানে আপনি কেবলমাত্র ঘুমাবেন বা রেস্ট করবেন যখন আপনি আপনার বে কে শুধুমাত্র শোবার জন্য বা রেস্ট করার জন্যে ব্যবহার করা শুরু করবেন তখন আপনার ব্রেন ও বুঝে যাবে যে যখনই আপনি এখানে আসবেন তার মানে এখন শোবার সময় হয়ে গেছে।

আর এর ফলে আপনার খুব তাড়াতাড়ি ঘুম চলে তো বন্ধু আপনি রাতে কয়টায় ঘুমান তা নিচে কমেন্ট বক্সে অবশ্যই জানাবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here