সবসময় Happy থাকার ৫টি উপায়। মন খারাপকে এবার ভুলে যান। Solve Hobe

0
236

আজকে সবথেকে প্রথমে আমি আপনাকে একটি প্রশ্ন করি।

মনে করুন আমার এক হাতে মেন্টাল পিস এবং হ্যাপিনেস রয়েছে, এবং আরেক হাতে চকলেট রয়েছে।

এবার এই দুটি জিনিসকে যদি আমি একটি পাঁচ বা ছয় বছরের শিশুকে অফার করি তাহলে আপনার কি মনে হয়?

সে কোনটি নেবে? আর এরই বিপরীতে যদি এই দুটি জিনিসকে আমি আপনাকে অফার করি তাহলে আপনি কোনটিকে নেবেন?

এই দুটি প্রশ্নের উত্তরটিকে ভালোভাবে ভেবে রাখুন কারণ পরে আমরা এই বিষয়টির উপর আলোচনা করবো ওয়েল আজকের এই পোস্টে আমি আপনাকে অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের ফেমাস থিওরি থিওরি অফ রিলেটিভিটির থ্রু বলতে চলেছি যে কিভাবে আপনি আপনার ইনার রিয়েল হ্যাপিনেসকে খুঁজে পেতে পারেন এবং কিভাবে সেটিকে নিজের পার্মানেন্ট পার্টনার বানাতে পারেন।

যে মুহূর্তগুলিতে আপনি happy ছিলেন। লাইফের যে মুহূর্তগুলিতে আপনি আনন্দে পরিপূর্ণ ছিলেন সেটাই জীবন অর্থাৎ জীবন সেই মুহূর্তগুলিকেই মনে করা হয় যে মুহূর্তগুলিতে আপনি আনন্দিত ছিলেন।

যে মুহূর্তগুলিকে আপনি আনন্দে কাটিয়েছেন যে মুহূর্তগুলিকে আপনি উপভোগ করেছেন সেটাই এই কারণের জন্য লাইফে happy থাকাটা খুবই জরুরী সবসময় আনন্দিত এবং happy থাকা আপনার physical health আপনার মেন্টাল হেলথ এবং এর সাথে সাথে আপনার professional লাইফ এ এক বিশাল পজিটিভ চেঞ্জ কে এনে দেয় যে সকল লোকেরা আনন্দিত থাকে তাদের ব্লাড প্রেসার রেগুলেটেড থাকে।

আর শুধু তাই নয় এই সকল লোকেদের হার্ডডিজিস হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়. সব সময় আনন্দিত থাকলে আমাদের ইমিউনিটিও বেড়ে যায়।

আর এই সকল কথাগুলি scientifically proof. যদি মেন্টাল health এর কথা বলি তাহলে happy থাকার ফলে body তে স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা কমে যায়।

যার ফলে স্ট্রেস লেভেল ক হয় অ্যানজাইটি এবং ডিপ্রেশনের মাত্রাও অনেক কমে যায়। আর যদি প্রফেশনাল এবং ইকোনমিক লাইফের কথা বলি তাহলে এই প্রফেশনাল লাইফে আনন্দিত থাকা লোকেদের ওপর স্ট্যাডিস করার পর জানা গেছে যে এই সকল লোকেদের প্রোডাক্ট টিভিটি এবং এফিসিয়েন্সি অন্যান্যদের তুলনায় অনেক বেশি হয়।

এই গুণটি তাদের প্রফেশনাল এবং ইকোনমিক লাইফকে আরো বেশি বুস্ট করে. হ্যাপিনেস আমাদের এনার্জি লেবেলকেও বাড়িয়ে দেয়।

ও এর সাথে সাথে confidence focus এবং concentration power কেও বাড়িয়ে দেয়. আমার মনে হয় যে এতগুলি কথা sufficient হবে আপনাকে এই কথাটিকে বোঝানোর জন্য যে আনন্দিত বা happy থাকাটা লাইফ এ কেন জরুরি?

তো চলুন এবার আমরা ভিডিওর শুরুতে বলা দুটি প্রশ্নের ব্যাপারে কথা বলে নিই well আপনাদের মধ্যে থেকে বেশির ভাগ বন্ধুরাই বলবেন যে ছোটো শিশুটি চকলেট নিয়েছে এবং আমাদের বয়সী কোনো ব্যাক্তি piece এবং happiness কে নেবে তাই না? কিন্তু কেন?

এর কারণ হলো এই যে আজ এই twenty first century তে mental peace বা মানসিক শান্তি এবং happiness ই হলো আমাদের কাছে সবথেকে PCS জিনিস কারণ আমরা সব কিছুকেই তো অর্জন করে নিয়েছি ঠিকই কিন্তু এই happiness এবং mental piece এর কথা একেবারেই ভুলে গেছি. তাই না?

সেই শিশুটির কাছে এই হ্যাপিনেস এবং মেন্টাল পিস কোন কাজের নয়. কারণ তার ডিফল্ট সেটিং এ আগে থেকেই এই দুটি জিনিস রয়েছে. তার মধ্যে এই দুটি মূল্যবান জিনিস আগে থেকেই বিদ্যমান আর একই রকম nature আমাদের মধ্যেও এই happiness এবং mental peace কে defort setting এর আকারেই দিয়েছিল

কিন্তু আমরা কি করেছি? আমরা এটিকে নষ্ট করে দিয়েছি. আসলে আমরা happiness বা আনন্দের real concept এখনো বুঝতে পারেনি আমরা ক্ষণিকের আনন্দকে প্লেজারকে happiness মনে করিনি আর এর পেছনে দৌড়াতে শুরু করে দিয়েছি।

আর এই দৌড় বাড়ার সাথে সাথে আনন্দ বা happiness ও আমাদের কাছ থেকে দূরে সরে গেছে।

তো চলুন জেনে নিই যে কিভাবে আইনস্টাইনের theory of relative আপনাকে আপনার real happiness কে পেতে সাহায্য করবে?

Well আমরা সবসময় playzor কেই আনন্দ মনে করিনি। প্লেজার happiness এর একটি relative প্লেজার আমাদের লাইফের কন্ডিশনের উপর ডিপেন্ড করে এবং এরই সাথে এটি একটি টেম্পোরারি জিনিস বুঝতে পারলেন না তো?

চলুন বিষয়টিকে একটু সহজভাবে বোঝার চেষ্টা করি।সেই আনন্দের কথা মনে করুন তো যা প্রথম মবাইল বা প্রথম বাইক কেনার পর আপনার হয়েছিল, খুবই আনন্দ হয়েছিল তাই না?

ওয়েল এই আনন্দটি আসলে প্লেজার এটি হ্যাপিনেস নয়, আর এই প্লেজার বা এই জয় নির্ভর করে আমাদের জীবনের অবস্থার উপরে, জি পরিমান আনন্দ আপনার প্রথম মোবাইল ফোন কেনাই হয়েছিল সেই পরিমাণ খুশি বা আনন্দ।

তৃতীয় বার মোবাইল কেনার সময় আপনার মধ্যে হবে না। তাই না? অর্থাৎ এই জয় temporary তো বটেই। এর সাথে সাথে আবার relative ও।

এবার যদি আমার ফের জয় বা প্লেজারের প্রয়োজন হয় তাহলে এবার আমার সাধারণ মোবাইল নয়।

আইফোন প্রয়োজন হবে. বা বাইক নয়. কার প্রয়োজন হবে?

এবার আপনিই বলুন যে এটি কি আসল আনন্দ বা happiness নিশ্চয়ই না কারণ এটি তো temporary আসছে আবার চলে যাচ্ছে তাই না এটি হলো প্লেজার আর এখানেই আইনস্টাইনের থিওরি অফ রিলেটিভিটিকে দেখতে পাওয়া যায় অর্থাৎ যখন কোন ব্যক্তি আজকের condition এর তুলনায়, relatively ভালো condition এ থাকবে in future তখন সেই ব্যক্তি যা ফিল করবে তা হল প্লেজার বা জয়।

দেখুন প্লেজার বা জয় নামক এই temporary জিনিসটি কোন খারাপ বা নেগেটিভ জিনিস নয়, এদের আলাদাই এক ইম্পর্টেন্স রয়েছে. যদি এগুলো না থাকে তাহলে আপনি লাইফে grow করতে পারবেন না।

এগুলি আপনাকে লাইফে এগিয়ে চলার জন্য grow করার জন্য হেল্প করে। কিন্তু এটিকে happiness মনে করে confuse হওয়াটাই হলো আমাদের ভুল. আর এই কারণের জন্যেই আমরা happiness কে খুঁজে পাচ্ছি না।

এই প্লেজার condition এর উপর depend করে। Condition এর উপর depend করার সাথে সাথে person two person ও vary করে।

কারো কাছে সাইকেল কেন প্লেজার হতে পারে তাকে আনন্দ দিতে পারে আবার কারো কাছে Mercedes কেনার প্লেজার হতে পারে এই কারণের জন্য প্লেজার হল এক ধরনের relative temporary এবং variable জিনিস কিন্তু happiness কোনদিনই temporar ড়ি হতে পারে না এটি পার্মানেন্ট এবং stable অর্থাৎ happiness কে বাহ্যিক বস্তু দ্বারা aquar করা যায় না

যেখানে আমরা আজকের তুলনায় relatively better condition এ move করবো. কিন্তু happiness তা নয় happiness বাইরের বা বাহ্যিক কোনো বস্তু দ্বারা পাওয়া যায় না।

হ্যাপিনেস আপনার মধ্যেই রয়েছে happiness permanent এটি কখনো change হয় না, happiness বা আনন্দ, বা খুশি এক ধরনের state of mind যদি সত্যিই জীবনে সবসময় আনন্দিত থাকতে চান, তাহলে আপনাকে আপনার mind কে সেই state এ সেই state নিয়ে যেতে হবে যেখানে আপনি এই happiness কে ফিল করতে পারবেন দেখুন আনন্দের স্টেটে যাওয়া বলতে এমন নয় যে আপনার জীবনে কোনদিন দুঃখ আসবে না কোনদিন ব্যথা আসবে না এমনটি নয় আসলে দুঃখ ব্যথা কষ্ট ঝামেলা এই সকল জিনিসগুলি আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছে।

একটি জীবিত শরীরেই এই সকল জিনিসগুলিকে feel করতে পারে। এই জিনিসগুলি হলো প্রমাণ যে আপনি জীবিত আছেন। of happiness এ হওয়া মানে সংবেদনহীন হওয়া নয় state of happiness এ হওয়ার মানে হলো এই প্রবলেম গুলিকে এই দুঃখ কষ্ট গুলিকে লাইফ এর এই ups and downs কে handle করার এদের tackle করার ability রাখা এবং এদের দ্বারা distract না হওয়া।

এবার প্রশ্ন হলো এই যে কিভাবে নিজের মাইন্ডকে এই state of happiness এ নিয়ে যাব তাই না?

দেখুন নিজের লাইফ এ বড়ো কোনো changes কে আনতে চাইলে আপনাকে ছোট ছোট কিছু step কে নিজের লাইফ এ apply করতে হবে তবেই আপনি বড় কিছু changes কে আনতে পারবেন যাই হোক নিজের mind কে state of happiness এ নিয়ে যাওয়ার চারটি step আজ আমি আপনাকে বলবো প্রথম step হলো ডেইলি এক্সারসাইজ শুনে হয়তো আপনি অবাক হলেন কিন্তু এটাই সত্য যে ডেইলি এক্সারসাইজ করলে আমাদের মাইন্ড ফ্রেশ থাকে যা আমাদের হ্যাপি রাখতে সাহায্য করে আর এই কথাটি সাইন্টিফিকলি প্রুফ যেকোনো ধরনের ফি activity র মধ্যে থেকে যেটি আপনাকে করতে ভালো লাগে তা যদি আপনি daily করেন তাহলে এটি আপনার body কে তো strong করবেই তার সাথে সাথে আপনার mind কেও fresh রাখবে দৌড়ানো সাইকেলিং এছাড়াও আরো অন্যান্য আরোবিক এক্সারসাইজ গুলি আমাদের body তে এক ধরনের chemical কে release করে যা হলো দোপামিন. আর এই দোপামিন. আমাদের ন্যাচারালি হ্যাপি থাকতে সাহায্য করে। দোপামিন আমাদের মধ্যে থেকে ডিপ্রেশন এবং অ্যানজাইটির মাত্রা কেও কমিয়ে দেয়।

এই কারণের জন্য ডেইলি এক্সারসাইজ আমাদের ফিজিক্যালি ফিট রাখার সাথে সাথে মেন্টালি ফিট রাখতেও সাহায্য করে. দ্বিতীয় habit টি হল meditation প্রতিদিন কমপক্ষে দশ মিনিট Meditation করুন Daily Meditation করলে আমাদের মন শান্ত ও নিয়ন্ত্রিত থাকে এবং এর সাথে সাথে আমাদের ব্রেন ও strong হয় বহু এ পাওয়া গেছে যে daily meditation করা লোকেদের ব্রেনের frontal cottage এর density বেড়ে যায়. ব্রেনের এই front টার লোভ।

আমাদের situation handling, decision making, এবং অ্যানালিটিক্যাল কাজ গুলিকে করতে সাহায্য করে।

এই কারণের জন্য ডেইলি মেডিটেশন করা লোকেদের ডিসিশন মেকিং অ্যাবিলিটি বাকিদের তুলনায় স্ট্রং হয়. এবং এরা যে কোন সিচুয়েশনকে খুব ভালোভাবে হ্যান্ডেল করতে পারে।

কোন খারাপ পরিস্থিতিতে প্যানিক করার পরিবর্তে শান্তভাবে সঠিক decision কে নিতে পারে meditation কিভাবে করবো তা নিয়ে আমি already একটি ভিডিও তৈরী করেছি যেটিকে আপনি ওপরের এই আয় button এ ক্লিক করে পেয়ে যাবেন।

তৃতীয় জিনিসটি হলো এই যে keep avea yoursel সব নেগেটিভিটি. আপনাকে নিজেকে নেতিবাচক বা নেগেটিভ বিষয়গুলি থেকে দূরে থাকতে হবে. আপনাকে নিজেকে নেগেটিভ লোকেদের থেকে দূরে থাকতে হবে।

নেগেটিভ কথাবার্তা থেকে দূরে থাকতে হবে. নেগেটিভ নিউস থেকে দূরে থাকতে হবে এবং সব থেকে important নিজের ব্রেনে negative thought কে জেনারেট করা বন্ধ করতে হবে।

আপনাকে practice করা শুরু করতে হবে. যে আপনি লোকেদের খারাপ কথা শুনবেন না।তাদের খারাপ কথায় কান দেবেন না। এবং তাদের সাথে খারাপ বিষয়ে কথা বলবেন না।

যদি সব সময় আপনি আপনার brain এ negative thought কে generate করতে থাকেন, তাহলে কিভাবে নিজেকে positive রাখবেন?

কারণ আপনার brain তো negativity তে পরিপূর্ণ হয়ে আছে। আর এই negative energy কোনদিনই happy থাকতে দেবে না. Number four attitude।

পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি ধর্মেই নেচার এবং গডের প্রতি, ঠ্যাংফুল হওয়ার কথা বলা হয়েছে. প্রতিটি ধর্মেই প্রকৃতি এবং ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতার কথা বলা য়েছে যা জিনিস এবং blessings আপনি পেয়েছেন সেই সকল জিনিস গুলিকে আপনার respect করা উচিত এবং এই সকল জিনিসগুলির জন্য thankful হওয়া দরকার তাই আজই একটি লিস্ট তৈরি করুন সেই সকল ব্যাক্তি ঘটনা এবং সম্পর্ক গুলির যেগুলি আপনার কাছে blessings হয়ে এসেছে যেগুলি আপনাকে সবসময় আনন্দ দিয়েছে আর এই সকল জিনিসগুলির existance এর জন্য nature কে এবং god কে ধন্যবাদ বলতে শিখুন।

এই চারটি habit কে আপনি continue একুশ দিন পর্যন্ত করুন। একুশ দিনে এই কারণেই বললাম কারণ কোন কাজকে যদি আমরা একুশ দিন continue করতে থাকি তখন আমাদের ব্রেন সেই কাজটিকে আমাদের daily routine এ add করে নেয়. এবং সেটিকে আমাদের habit বানিয়ে দেয়।

তো এই চারটি অভ্যেস কে যদি আপনি একুশ দিন পর্যন্ত apply করতে থাকেন, তাহলে বাইশ নম্বর দিনে, এগুলি আপনার habit তৈরি হয়ে যাবে।এবং এর সাথে happiness কেও আপনি আপনার পার্মানেন্ট পার্টনার বানাতে পারবেন।

আর এটি করতে করতে আপনি ন্যাচারালি পজিটিভ স্টেট অফ মাইন্ডে থাকার কৌশল কেউ জেনে যাবেন.

ধন্যবাদ সকলকে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here