৩০ বছর বয়সের আগেই যে সিদ্ধান্ত গুলো নেয়া উচিত। কিভাবে জীবনকে আরও সুন্দর করবেন।

0
250

আপনার বয়স যদি বিশ থেকে তিরিশের মধ্যে হয়ে থাকে তাহলে কয়েকটা বিষয়ে একটু চিন্তা করে দেখতে পারেন।

এক, এ বয়সের মানুষ ফ্রেন্ডদের সাথে অনেক বেশি তুলনা করে। এবং জেতার ফলে অলওয়েজ ফ্রেন্ডরা কতটা income করলো ওটার সাথে নিজের ইনকামের তুলনা করে friend রা লাইফ এ কি করলো ওটার সাথে নিজে লাইফ এর তুলনা করে এবং always একটা comparison game এর মধ্যে থাকে।

যতই আগিয়ে যায়, কেউ না কেউ তো উপরে কোনো একটা কোনো expect াকবেই তার সাথে live টা তুলনা করে।

যে চাকরি অনেক ভালো আছে, সে অন্যর লাইফ এর সাথে তুলনা করে ওর লাইফ এ অনেক freetime বেশি।

আবার যার লাইফ এ freetime সেটিতে চাকরিটা তো আমার থেকে better. So এই competition game এ থাকার কারণে না দিন শেষে লাইফ টা enjoy করতে পারে না।

আমার আশেপাশে friend circle, আমার junior আমার হালকা senior যারা আছে, যারা এই বয়সে আছে, তাদের মধ্যে এই জিনিসটা আমি অনেক দেখি।

এবং যেটার ফলে নিজেরাই একটা অদৃশ্য, rise এর মধ্যে থাকে. এবং নিজেদেরকে নিজেরাই pressure দেয়।

অদ্ভুত number two আপনার হাতে সময় আছে দিন শেষে আমার কোনো একটা সময় দিন খারাপও গেলে কোনো সময় মনোযোগিত হওয়া যাবে না life এ আটকে আছি এই কাজে একটু speed থাকলে ভালো হতো অথবা business এ growths থাকলে ভালো হতো তখন একটা জিনিস বলা যাচ্ছ।

যাই হোক, দিন শেষে আমার জীবনে তো সময় আছে. এটা কিন্তু একটা বিশাল বড় advantage. আপনাকে হয়তো বা যদি আরেকটা মানুষের লাইফ এর সাথে trade off করতে বলতো যাচ্ছ বিল গেটস এর লাইভ দেওয়া হবে।

আপনার বয়স মনে করে এখন পঁচিশ আপনি হয়তো বা নিতেন না. কারণ তার তো বয়সটাই পার হয়ে গেছে লাইফ এ enjoy করার।

So always মনে রাখেন আপনার যেহেতু বয়সটা কম. আপনার হাতে অনেক সময় আছে. তাই life এ যদি কখনো depressed হয় না at least এইটা মাথায় রেখেন সময় তো আছে আর আপনি চাইলেও তো অনেক বড়ো কারোর life এর সাথেও treat up করবেন না because তার life এ enjoy করার কিছু নেই, তার life টাই পার হয়ে গেছে।

Number three যত বেশি নেটওয়ার্কিং করেন. Trust me. এই সময়টা হলো নতুন মানুষের সাথে দেখা করার।

নতুন মানুষদের সাথে কথা বলার আড্ডা দেয়. নতুন বিজনেস নিয়ে কথা বলা, নতুন নিয়ে কথা বলা, নতুন কিছু করার উদ্যোগ গ্রহণ করার।

এবং যত বেশি মানুষের সাথে কথা বলবেন আপনার নেটওয়ার্ক টা যত বড় হবে পরবর্তী লাইফ এ এই নেটওয়ার্ক টা আপনাকে অনেক কাজে দেবে।

Specially আমি যেহেতু একটা কোম্পানি run করি. This আমার কাজটা হলো এর কাজটা সহজ করে দেয়. ওর কাজটাকে একটু লিঙ্ক করে দাও।

ওই মানুষের সাথে পরিচয় করাটা। And তার অধিকাংশই আসছে গত দশ বছর আমি কার সাথে কিভাবে নেটওয়ার্ক করেছি. যেটার সুফল আমি এখন পাচ্ছি।

এবং আমার কাছে যে এই skill টা আমাদের বাড়ানো অনেক বেশি দরকার।

সচরাচর বাঙালিরা আমরা একটু আসলে লজ্জা বোধ করি তো, নতুন মানুষের সাথে কথা বলার. সেই জায়গায় যদি আপনি একটু ten working টা বেশি করেন, এই advantage টা আপনি আজীবন ভোগ করতেন নতুন কিছু try করবেন. কেন জানো?

বয়স যেহেতু কম, risk factor টাও কম, অনেকে আমাকে জিজ্ঞাসা করে বেহাল যখন tenminor স্কুল শুরু করেছিলেন সবকিছু বাদ দিয়ে এত risk ক্রেডিশন কিভাবে নিলেন?

আমি তখন বলেছি কিসের risk? তখন তো discipline টা খুবই easy ছিল. University student ছিলাম, একটা কিছু try করছিলাম।

এখন যদি আমার লাইফ এর এই অবস্থায় এসে যদি নতুন কিছু একটা করার চিন্তা করি, আমি কিন্তু অনেক কিছু চিন্তা করব, আচ্ছা তার ব্যবসা আছে, এতগুলা মানুষ কাজ করছে, আমি আবার আমার সময়টাকে এখান থেকে নিয়ে কিনে দিব।

নানা চিন্তা, শুরুতে কিন্তু এত চিন্তা করে নেই, risk ও ছিল না, এত ঝামেলাও ছিল না, over thing ও ছিল না, it’s easy, so যেহেতু voice টা একটু কম আছে, নতুন নতুন কাজে মন্দা, নতুন কিছু করার, একটু রিস্ক নেন।

রিস্কিতে একটু ভয় লাগলে মনে করবেন যে বয়স কম কিসের risk trying your things নতুন নতুন জিনিস শেখার চেষ্টা করেন. যেকোনো একটা বিষয়ে যদি expert হন এই জিনিসটা আপনাকে আজীবন সুফল ভোগ করবে।

যেমন আমি আমার লাইফ এ অনেক early stage এ সোশ্যাল মিডিয়া game টা বুঝে ফেলেছিলাম. যে Facebook এ কি করলে কি হয়, YouTube এ কি বললে কি ভালো হয়. দিন শেষে এটা আমার personal লাইফ এ help করেছে. আমি যখন একটা ভিডিও লাখ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

এটা আমার যে প্রতিষ্ঠান আছে ten minute school, সেটাকেও যেন হেল্প করেছে. কখন কোন কথা বললে যে জিনিসটা কাজ করে. কিভাবে ভিডিওটা করলে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়. সোশ্যাল wi মার্কেটিং ডেলিভারি করতে হয়।

এইচএস একটা স্কেল আমাকে গত সাত আট বছর ধরে প্রচুর বেনিফিট দিয়েছে. এবং সামনের দিনগুলোতে আরও দেবে. আর আমাকে তো চাইলেই স্কিলটা আয়ত্তে আনতে পারে. আপনি আমার সোশ্যাল মিডিয়াতেই দেখছেন।

আপনার প্রচুর ঘন্টা daily সোশ্যাল মিডিয়া তে যায়. So এই সোশ্যাল মিডিয়া টাতে কিভাবে কাজে লাগিয়ে নিজের ব্যবসাটা বাড়ানো যায়. অথবা নিজের কোনো একটা হবিকে মানুষের সামনে উপস্থাপন করা যায়।

এইটা যদি আপনি শিখে ফেলেন তাহলে just চিন্তা এই সোশ্যাল মিডিয়া র টাইম waste টাই আপনার জন্য একটা বিশাল বড় বেনিফিট নিয়ে আসবে. মানুষের judgement কে একটু কম পাত্তা দেবে।

তার কারণ হলো এই ভয়ে সে আপনার সোশ্যাল circle টা অনেক বড় হয়। অনেক মানুষ সাথে সোশ্যাল circle এ জড়িত থাকে, সেটার ফলে আমরা যেটা করি, একটু ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে যাই।

নিজে একটা নতুন ব্যবসা দিয়ে, নিজের friend দের কেই আপনার page টাকে like দিতে আপনার কেমন জানি কুন্ঠা বোধ করতে হয়।

আর বলবো সবাইকে কি না কিভাবে লাইক আবার বলবে যাও ব্যবসা করছে এই যে এই যে ভয়টা এই ভয়টাকে ঝেড়ে ফেলে দাও. কারণ কি জানেন?

এই যে বিষটাকে দিয়ে এই বছর বয়সের সময়টাতে যে অনেক friend রা হয়, এরা আবার কিছুদিন পরে থাকেও না, স্কুলের ওই থেকে যায়, কলেজের friend circle থেকে যায়, but হ্যাঁ, Facebook এর যেটা বিশাল ফ্রেন্ড সার্কেল আছে, এর আসলে থাকে না।

And trust me. আমার friend list এ আমি এখন দেখলে আমি ভুলে যাচ্ছি এই মানুষ জন্য কে? জন্য কেন add করছিল? কোত্থেকে যে তোমার friend list টা add হয়েছে?

But একটা সময় এই মানুষগুলোরই judgement এর কথা চিন্তা করে আমি অনেক কাজ করতাম না. Facebook এ pose দেওয়ার আগে চিন্তা করতাম, অনেক কিছু করতাম।

অথচ য়েক বছর পরে মানুষগুলাকে এই আইডিয়াই আমার নেয়. So দিন শেষে এই মানুষগুলোর opinion এই মানুষগুলোর judgement অথবা আপনার post এ হাহা দিতে পারে।

এই ভয় থেকে যত early বেরোতে পারবেন ততই ভালো. Startup এ একটা তত্ত্ব নিয়ে অনেক দৌড়ঝাঁপ হচ্ছে. যেটাকে বলে feel fast

তার মানে সব সময় বলে যে ভাই যত দ্রুত feel করবা তত তাড়াতাড়ি শিখবা. একটা প্রোডাক্ট যদি অনেক বানিয়ে পড়ে, মার্কেট ছেড়ে দেখল যে হ্যাঁ, এটা কাজই করল না, তাহলে তো ঝামেলা, এর থেকে, আগে feel করো, তত ভালো।

So এই লাইফ এর যে advice টা আমার কাছে মনে হয়েছে যে star cup এর ক্ষেত্রে যতটা প্রযোজ্য লাইফ এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য. আপনার বয়স যখন কম তখনই যদি আপনি ফেল করেন আপনার জন্য কিন্তু সুবিধা।

খুব একটা বেশি ক্ষয়ক্ষতি হবে না. So fill fast. কারণ বয়স একটু বাড়লে failure এর বোঝা বহন করা কঠিন হয়ে যায়। Failer এর বোঝাটা একা বহন করতে হয় না।

আপনার আশেপাশে আপনার ওপর নির্ভরশীল মানুষগুলোকে বহন করতে হয়. তাই বয়স যত কম আছে এখন failure নিয়ে খুব একটা প্যারানের কোন দরকার নেই তাই startup এর যে feel fact concept টা আছে নিজের লাইফ এ apply করেন।

আর finally বলবো finally a good boss. যার under এ কাজ করলে অনেক কিছু শিখতে পারবেন।

Find the good mentor। যে আপনাকে আপনার লাইফ এ যে বাধা গুলো আছে সে হোঁচট গুলো আপনাকে খেতে হবে সেটা খাওয়ার আগে আপনাকে শিখিয়ে দিতে পারবে and find a good company এটা part টাইম হতে পারে এটা হতে পারে but যেই কাজ করার ইচ্ছা আছে ওই জায়গাটার জন্য আপনি কাজ করতে পারেন।

এই তিনটে জিনিস যদি আপনি পেয়ে যান আর good boss. আর good mentor, arrow good কোম্পানি আপনার growth টা অনেক বেশি হবে. আর হ্যাঁ, যেহেতু বয়স্ক আমি শুধু কাজের কথা বলবো না travel as matters your can. কারণ আমার কাছে মনে হয় যে আমাদের আগের generation ও এত বেশি travel করতো না।

বা তাদের জন্য হয়তো বা এই জিনিসটা একটা বড় লাক্সারি ছিল. আমাদের জন্য কিন্তু কাজটা অনেক সহজ হয়ে গেছে. পৃথিবী ছোট হয়ে আসছে, পৃথিবীর বাইরে আমার বাংলাদেশের বাইরে এত বন্ধু বান্ধব আছে যে কল দিলে অনেক জায়গায় অনেকজন অনেক হেল্প পাওয়া যায়. এটা আপনাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

কতটা সম্ভব লাইফটাকে এক্সপ্লোর করেন. এগেন বয়স যেহেতু কম, এখন এক্সপোর্ট না করলে কখন?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here